স্বাস্থ্য
নিজস্ব প্রতিনিধি
বডি অয়েল রূপচর্চার একটি প্রাচীন এবং কার্যকর উপাদান। সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে এটি ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি দেয়, কোমল রাখে এবং এক প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা এনে দেয়।
বডি অয়েল ত্বকের গভীর স্তরে প্রবেশ করে প্রাকৃতিকভাবে আর্দ্রতা ধরে রাখে। এটি ত্বকের শুকনোভাব দূর করে, ভিতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে করে তোলে কোমল, উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।
নিয়মিত বডি অয়েল ব্যবহারে ত্বক হারায় না তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা, বরং হয়ে ওঠে আরও নরম, মসৃণ ও কোমল। রুক্ষতা, খসখসে ভাব কিংবা চিরুনি দিয়ে আঁচড়ানোর মতো ত্বক এসব থেকে সহজেই রক্ষা করে এই প্রাকৃতিক যত্ন।
নারকেল, অলিভ, বাদাম ও তিলের তেলের মতো প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বকে এনে দেয় এক কোমল, জেল্লাদার দীপ্তি যা কৃত্রিম নয়, বরং ভেতর থেকে আসা উজ্জ্বলতা।
রাতে ঘুমানোর আগে হালকা উষ্ণ বডি অয়েল দিয়ে শরীরে ম্যাসাজ করলে শুধু ক্লান্তি দূর হয় না, রক্তসঞ্চালনও উন্নত হয়। এই আরামদায়ক অভ্যাস শরীর ও মনের ওপর একসঙ্গে কাজ করে, ঘুমের মান বাড়ায় এবং ত্বককে করে তোলে আরও সজীব ও প্রশান্ত।
স্নানের ঠিক পরেই, যখন ত্বক হালকা ভেজা থাকে তখন বডি অয়েল সবচেয়ে ভালোভাবে ত্বকে মিশে যায়।
রাতে ঘুমানোর আগে ম্যাসাজ করলে ত্বক সারা রাত পুষ্ট থাকে।
| তেলের নাম | উপকারিতা |
|---|---|
| নারকেল তেল | সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী, অ্যান্টিফাঙ্গাল, হাইড্রেটিং |
| অলিভ অয়েল | শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ |
| সিসেম অয়েল (তিল তেল) | গাঢ় পুষ্টিকর, উষ্ণ প্রকৃতির |
| বাদাম তেল | হালকা, শিশু ও সংবেদনশীল ত্বকের জন্য উপযুক্ত |
চুলের মতোই ত্বককেও ওয়েল ফিড রাখতে হয়।
কেমিক্যালযুক্ত লোশন নয়, প্রাকৃতিক বডি অয়েল আপনার রূপ রুটিনের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হতে পারে।
চাইলে ২-৩টি তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিজের মতো করে custom blend তৈরি করতে পারেন।
আপনার রূপ রুটিনে বডি অয়েল যোগ করলে ত্বক শুধু বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেও সুন্দর থাকবে। এটি এক ধরণের skin ritual যা আপনার নিজের জন্য ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা।