রান্নাঘর
স্বাগতা সাহা
এমন কিছু রান্না আছে যা নিরামিষ তবুও আমিষ রান্নাকে টেক্কা দিতে পারে নিমিষেই। অনেকেই ভাবেন নিরামিষ রান্না তেমন সুস্বাদু হয় না, তবে এমন কিছু রেসিপি রয়েছে, যেগুলো নিরামিষ হলেও বাঙালির অতি পছন্দের এবং স্বাদেও অতুলনীয়। শনিবার , মঙ্গলবার বা বৃহস্পতিবার অনেকেই নিরামিষ খাবার খান। সেক্ষেত্রে ধোঁকার ডালনা খুব ভালো অপশন হতে পারে।
নিরামিষ ধোঁকার ডালনা
কী কী লাগবে
ছোলার ডাল ২০০ গ্রাম, টমেটো বাটা ১ টি, আদার টুকরো ১ ইঞ্চি, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, কাঁচা লঙ্কা ৪-৫ টি, তেজপাতা ১ টি, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ, জিরে গুঁড়ো ২ চা চামচ, ধনে গুঁড়ো ২ চা চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, নুন স্বাদ অনুযায়ী, তেল পরিমাণ মতো, ঘি ১ টেবিল চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো ১/২ চা চামচ, শুকনো লঙ্কা ২ টি, কাজুবাদাম বাটা এবং পোস্ত বাটা ২ চা চামচ করে
কীভাবে বানাবেন
ছোলার ডাল ৫-৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ওর মধ্যে আদা আর কাঁচালঙ্কা দিয়ে বেটে নিন। কড়াইতে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ডাল বাটার মিশ্রণ ঢেলে দিন। একে একে স্বাদ অনুযায়ী নুন, ১ টেবিল চামচ চিনি, ১ চা চামচ জিরে গুঁড়ো, ১ চা চামচ ধনে গুঁড়ো দিয়ে অল্প আঁচে নেড়ে নিন। একটা পাত্রে তেল মাখিয়ে ওর মধ্যে শুকনো করা ডালের মিশ্রণ ঢেলে সমানভাবে ছড়িয়ে দিন। ছুরি দিয়ে বরফির আকারে কেটে নিন মিশ্রণটা গরম থাকতে থাকতেই। তারপর ঠান্ডা হলে টুকরোগুলো কড়াইতে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল দিয়ে সাবধানে লালচে করে ভেজে তুলে রাখুন। এবার কড়াইতে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে বাকি চিনি দিন। চিনি গলে এলে একে একে টমেটো বাটা, আদা বাটা, লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো আর স্বাদ অনুযায়ী নুন দিয়ে ভালো করে কষতে থাকুন। কাজুবাদাম বাটা ও পোস্ত বাটা দিন। মশলা থেকে তেল ছেড়ে আসলে পরিমাণ মত জল ঢেলে দিন। ঝোল ফুটে উঠলে ধোঁকা গুলো দিয়ে অল্প আঁচে ২-৩ মিনিট ফুটিয়ে নিন। নামানোর আগে ঘি, গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।