বাড়িঘর
নিজস্ব প্রতিনিধি
৫৬তম বর্ষে উল্টোডাঙ্গা বিধান সংঘের এবারের ভাবনা বানিজ্য বসতে লক্ষ্মী। সৃজনে রয়েছেন মলয়, শুভময়।
তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অতীত কাল থেকে সমাজের চোখে বাংলায় ব্যবসার তুলনায় কৃষি ছিল গৌরবজনক বৃত্তি বাণিজ্য মানেই ঝুঁকি অর্থাৎ অনেক মূলধনের প্রয়োজন তাই বাঙালির এক বৃহৎ অংশ চিরকাল বাণিজ্য বিমুখ তবুও বাণিজ্য লক্ষ্মী লাভের আশায় বরাবরই অগ্রগামী হয়েছে একদল বাঙালি। প্রাচীন যুগ থেকে এ যাবত তারাই বাণিজ্যের কৃতিত্বের অধিকারী পলাশী যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কলকাতা ক্রমে হয়ে ওঠে ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু হুগলি নদীর তীরবর্তী ঘাট গুলি ক্রমে বন্দরে পরিণত হয় সাহসী মানুষকে মাতিয়ে তুলে লক্ষ্মীর সাধনায়। কিন্তু উনিশ শতকের শুরুর দিকে ইংরেজ প্রণোদিত কিছু আইনের জন্য কিছু বৃত্তবান বাঙালি পানির চেয়ে তুলনায় জমিদারিতে টাকা লগ্নী নিরাপদ বলে মনে করে ফলে বাঙালি দুয়ার থেকে ফিরে গেলেন ব্যবসা লক্ষী।
পরবর্তীকালে কিছু বাঙালি পুনরায় ব্যবসায় আগ্রহী ও উন্নতি লাভ করলেও তা পশ্চিম ভারতীয় বণিকদের তুলনায় নগণ্য। বংশপরম্পরায় তারা আজও কলকাতায় বসে সাফল্যের সাথে বাণিজ্যিক কর্মকান্ড বজায় রেখেছে। কিন্তু বর্তমান বাংলার বাণিজ্য ভারতের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখনই সঠিক সময়, নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচার ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে নিজের দেশের জাতীয় আয় বাড়ানো ও বাণিজ্য লক্ষ্মীকে নিজ ঘরে থিতু করা। তাই এ বছর উল্টোডাঙ্গা বিধান সংঘের ভাবনা বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী।