রান্নাঘর
নিজস্ব প্রতিনিধি
১.রান্নাঘরে নিমপাতা বা বকুল ফুল রাখলে পোকামাকড় হবে না। ছোট আরশোলার উপদ্রপ কমবে।
২.প্রেসার কুকারে রান্নার সময় ভেতরে একটা স্টিলের চামচ দিয়ে ঢাকনা আটকালে হুইসেলের সময় উথলে উঠবে না।
৩.সর্ষে বা পোস্ত পেস্ট করার সময় সবার আগে যদি শুকনো অবস্হায় দুবার মিক্সিতে ঘুরিয়ে, তারপর অল্প জল দিয়ে বাটা হয় তাহলে খুব মসৃণ হবে।
৪.রান্নায় দই ব্যবহার করার সময় অল্প ময়দা বা বেসনে গুলে রান্নায় দিলে ফেটে যাবে না।
৫.মাছের ডিম ভাজার সময় খই মিশিয়ে চটকে মেখে ভাজলে, ভাজার পর ঠাণ্ডা হলেও শক্ত হয়ে যাবে না।
৬.যে কোনো রান্নায় বেশী ঝাল হলে একটু দুধ মিশিয়ে জ্বাল দিলে ঝাল কমে যাবে।
৭.আপনি যদি বিস্কুটের বয়ামের নিচে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রাখেন, তাহলে সেই বয়ামে রাখা বিস্কুট সহজে নষ্ট হবে না।
৮.করলা মাঝখানে কেটে নিয়ে তার ভেতরে লবণ, ময়দা এবং দই এর মিশ্রণ ঢুকিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন। এরপর কেটে রান্না করুন, স্বাদ বেড়ে যাবে দ্বিগুণ!
৯.রান্নাঘরে খুব তেলাপোকার উপদ্রপ? রান্না ঘরের সিংকের নিচে এবং কোণাগুলোতে বোরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা রান্নাঘর তো বটেই, বাড়ি ছেড়ে পালাবে।
১০.যদি বাদামের খোসা ছাড়াতে কষ্ট হয়, তাহলে বাদামগুলোকে গরম জলে অন্তত ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। খোসা নরম হয়ে সহজেই উঠে আসবে।