স্বাস্থ্য
সুদেষ্ণা ঘোষ
ঘর্মাক্ত গ্রীষ্মের লড়াই! চিন্তা করবেন না, এই গরমে আপনি সতেজ এবং গন্ধমুক্ত থাকবেন কিভাবে তার কিছু টিপস্ রইলো:
ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি:
১. প্রতিদিন স্নান করুন: আপনার ত্বক পরিষ্কার রাখতে একটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন।
২. একটি অ্যান্টিফাঙ্গাল সাবান ব্যবহার করুন: বিশেষ করে পা এবং বগলের মতো ঘামের প্রবণ জায়গায়।
৩. নিজেকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে শুকিয়ে নিন: ত্বকের ভাঁজের মধ্যবর্তী স্থানে অতিরিক্ত মনোযোগ দিন।
অ্যান্টিপারস্পারেন্টস এবং ডিওডোরেন্টস
১. রাতে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট প্রয়োগ করুন: ঘুমানোর আগে, আপনার ঘুমানোর সময় ঘাম কমাতে সাহায্য করার জন্য।
২. একটি ক্লিনিকাল-শক্তির প্রতিষেধক ব্যবহার করুন: অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড বা অ্যালুমিনিয়াম জিরকোনিয়াম ধারণকারী।
৩. অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যযুক্ত একটি ডিওডোরেন্ট চয়ন করুন: ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে।
পোশাক এবং কাপড়
১. শ্বাস নেওয়া যায় এমন কাপড় পরুন: যেমন তুলা, লিনেন ।
২. ময়েশ্চার-উইকিং পোশাক বেছে নিন: আপনার ত্বক থেকে ঘাম দূর করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
৩. সিন্থেটিক ফাইবার এড়িয়ে চলুন: পলিয়েস্টার বা নাইলনের মতো, যা ঘাম এবং ব্যাকটেরিয়া আটকাতে পারে।
পায়ের যত্ন
১. শ্বাস নেওয়া যায় এমন উপকরণ থেকে তৈরি মোজা পরিধান করুন: তুলা বা কটনের মতো।
২. নিয়মিত মোজা পরিবর্তন করুন: বিশেষ করে ব্যায়াম করার পর বা প্রচুর ঘাম হওয়ার পর।
৩. ফুট পাউডার বা স্প্রে ব্যবহার করুন: আপনার পা শুষ্ক এবং গন্ধমুক্ত রাখতে ব্যবহার প্রয়োজন।
ডায়েট এবং লাইফস্টাইল
১. হাইড্রেটেড থাকুন: আপনার শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য প্রচুর জল খান।
২. একটি সুষম খাদ্য খান: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন ফল এবং শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করুন।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন: তবে প্রচন্ড গরম বা আর্দ্রতায় ব্যায়াম করা এড়িয়ে চলুন।
৪. স্ট্রেস ম্যানেজ করুন: উচ্চ চাপের মাত্রা ঘামের উৎপাদন বাড়াতে পারে।