19th Feb 2026

Highlights :

www.rojkarananya.com news

রোজমেরি অয়েল মাখলে কি নতুন চুল গজায়? কারা কারা মাখবেন?

স্বাস্থ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি


চুলের ঘনত্ব ও স্বাস্থ্য অনেকেরই উদ্বেগের বিষয়। ধীরে ধীরে পাতলা হওয়া চুল, ক্ষয়, ড্যান্ড্রাফ বা ঝরঝরে চুল সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। এই পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপায়ের মধ্যে রোজমেরি অয়েল অন্যতম। এটি শুধু চুলের স্বাভাবিক যত্নে সাহায্য করে না, অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে রোজমেরি অয়েল চুলের বৃদ্ধিও প্রভাবিত করতে পারে।

রোজমেরি অয়েলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান চুলের ফলিকলকে সক্রিয় করে। ফলে চুলের মূলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং কেসপা বা চুলের ক্ষয়জনিত সমস্যার সঙ্গে লড়াই হয়। নিয়মিত ব্যবহারে চুলের ঘনত্ব এবং লম্বাই বাড়ে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন ৩–৪ সপ্তাহ ধরে রোজমেরি অয়েল স্ক্যাল্পে মাখলে চুলের বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

রোজমেরি অয়েল ব্যবহার করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো হালকা মাসাজ। প্রতিদিন ৫-১০ মিনিটের জন্য অল্প অয়েলকে মাথার ত্বকে ঘষে ম্যাসাজ করুন। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং চুলের ফলিকল সক্রিয় রাখে। চাইলে কোকোনাট অয়েল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এটি চুলকে আর্দ্রতা দেয় এবং ভাঙা চুল কমায়।

কারা রোজমেরি অয়েল ব্যবহার করতে পারেন?

১. চুল পাতলা হওয়া বা হেয়ার লস সমস্যায় ভোগা ব্যক্তি।

২. খুশকি বা স্ক্যাল্প সংক্রান্ত সমস্যা আছে এমনরা।

৩. কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত চুল।

৪. প্রাকৃতিকভাবে চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ইচ্ছুক সবাই।

কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। সংবেদনশীল ত্বক বা অ্যালার্জি সমস্যা থাকলে প্রথমে ছোট অংশে পরীক্ষা করা উচিত। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েরা বিশেষভাবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করুন। রোজমেরি অয়েল অত্যধিক ব্যবহার করলে ত্বকে হালকা লালচে ভাব বা জ্বালা অনুভূত হতে পারে। রোজমেরি অয়েল চুলের স্বাস্থ্যের জন্য একটি প্রাকৃতিক ও কার্যকর উপাদান। এটি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুলের ঘনত্ব বাড়ায়, স্ক্যাল্পকে সতেজ রাখে এবং ভাঙা চুল কমায়। নিয়মিত ব্যবহার এবং সঠিক মাসাজের মাধ্যমে চুল সুস্থ, শক্তিশালী ও উজ্জ্বল হয়। তাই যারা চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে চান, তাদের রোজমেরি অয়েলকে রূপচর্চার তালিকায় রাখতে হবে।

Archive

Most Popular