6th Oct 2026

Highlights :

www.rojkarananya.com news

শোভাবাজার রাজবাড়ি, রাজকীয় পুজো থেকে কলকাতার উৎসব!

প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি


কলকাতার দুর্গাপুজোর ইতিহাস লিখতে বসলে এমন কিছু বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াতে হয়, যেখানে উৎসব আর ইতিহাস একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যায় না। শোভাবাজার রাজবাড়ি তেমনই একটি নাম। আজকের ব্যস্ত উত্তর কলকাতার রাস্তাঘাট, পুরনো বাড়ি, সরু গলি আর মানুষের ভিড়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এই রাজবাড়ির ঠাকুরদালান যেন সময়ের একটি খোলা জানলা। সেই জানলা দিয়ে উঁকি দিলে দেখা যায় আঠারো শতকের কলকাতা, জমিদারি সমাজ, রাজদরবারের জাঁকজমক, ইংরেজ শাসনের বিস্তার এবং তারই মধ্যে ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকা বাঙালির দুর্গাপুজো।

শোভাবাজার রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর সূচনা ১৭৫৭ সালে রাজা নবকৃষ্ণ দেবের হাতে। পলাশীর যুদ্ধের পরের বছরই তিনি বড় আকারে দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছিলেন বলে সরকারি পর্যটন-তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। সেই সময় কলকাতা এখনও আজকের মতো বিস্তৃত মহানগর নয়। শহর গড়ে উঠছে, নতুন ক্ষমতার কাঠামো তৈরি হচ্ছে, পুরনো জমিদার ও অভিজাত পরিবারগুলি নিজেদের সামাজিক অবস্থান প্রতিষ্ঠা করছে। সেই পরিবর্তনশীল সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে শোভাবাজার রাজবাড়ির পুজো। রাজা নবকৃষ্ণ দেব ছিলেন তাঁর সময়ের প্রভাবশালী ব্যক্তি। ইংরেজ শাসকদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল এবং তিনি ইংরেজদের সঙ্গে প্রশাসনিক ও সামাজিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সরকারি পর্যটন-তথ্যে তাঁকে রবার্ট ক্লাইভের মুনশি বা ভাষাশিক্ষক এবং ঘনিষ্ঠজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে তাঁর বাড়ির দুর্গাপুজো যে শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছিল না, বরং তৎকালীন কলকাতার ক্ষমতা, সমাজ ও সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল, তা সহজেই বোঝা যায়।

১৭৫৭ সালের পুজোকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হল পলাশীর যুদ্ধের পর নবকৃষ্ণ দেবের আয়োজন। কথিত আছে, ইংরেজ আধিকারিকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি যে বিপুল আড়ম্বরে পুজোর আয়োজন করেছিলেন, তা কলকাতার অভিজাত সমাজে এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করে। সরকারি পর্যটন-তথ্যেও উল্লেখ আছে যে লর্ড ক্লাইভ এবং ওয়ারেন হেস্টিংসের মতো ব্রিটিশ আধিকারিকদের এই উৎসবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই কারণে শোভাবাজারের পুজোকে কলকাতার প্রাচীন বনেদি পুজোর ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখা হয়।

তবে এই ইতিহাসের দিকে তাকানোর সময় একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন। পরবর্তী সময়ে শোভাবাজারের পুজোকে ঘিরে বহু গল্প, কিংবদন্তি এবং লোকমুখে প্রচলিত নানা কাহিনি তৈরি হয়েছে। ইতিহাসের নথিতে যা নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায় এবং লোককথায় যা বলা হয়—দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই রাজবাড়ির পুজোর মাহাত্ম্য বোঝার ক্ষেত্রে নথিভুক্ত ইতিহাসের পাশাপাশি সেই লোকস্মৃতিকেও বাংলার সাংস্কৃতিক স্মৃতির অংশ হিসেবে দেখা উচিত, কিন্তু দুটিকে একই ধরনের প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। শোভাবাজার রাজবাড়ির স্থাপত্যও তার ইতিহাসের মতোই আকর্ষণীয়। সরকারি পর্যটন দফতরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান রাজবাড়ি একটি গ্রেড-১ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা এবং এর স্থাপত্যে হিন্দু, মুঘল-প্রভাবিত ও ঔপনিবেশিক রীতির সংমিশ্রণ দেখা যায়। রাজা নবকৃষ্ণ দেবের নির্মিত এই প্রাসাদোপম বাড়ির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে নাটমন্দপ। চারদিকে স্তম্ভ ও খিলানঘেরা খোলা প্রাঙ্গণটি একসময় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উৎসবের কেন্দ্র ছিল।

এই নাটমন্দপের দিকে তাকালেই বোঝা যায়, একসময় একটি রাজবাড়ির দুর্গাপুজো কতটা বড় সামাজিক ঘটনা ছিল। আজকের মতো আলাদা পুজোমণ্ডপ তৈরি করে প্রতিদিন দর্শনার্থীর ঢল নামার ব্যবস্থা তখন ছিল না। বাড়িই ছিল উৎসবের কেন্দ্র। বাড়ির অন্দরমহল, নাটমন্দপ, ঠাকুরদালান, অতিথিশালা—সব মিলিয়ে গোটা রাজবাড়ি যেন কয়েক দিনের জন্য এক বিশাল সামাজিক পরিসরে পরিণত হত। দেবী দুর্গার আরাধনা ছিল সেই আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু তার চারপাশে ছিল সংগীত, নৃত্য, অতিথি আপ্যায়ন, ভোজ, সামাজিক সাক্ষাৎ এবং নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাজবাড়ির পুজো তাই ধর্মীয় আচারকে অতিক্রম করে সামাজিক মর্যাদা ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শনেরও একটি ক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল। সেই সময়ের অভিজাত সমাজে পুজো ছিল নিজের সামর্থ্য, রুচি ও সামাজিক সম্পর্ক প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম।

শোভাবাজার রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর সঙ্গে রাজকীয় ভোগের স্মৃতিও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে। বনেদি বাড়ির পুজোয় ভোগ মানে শুধু দেবীর নৈবেদ্য নয়; তার সঙ্গে যুক্ত থাকে রান্নাঘরের দীর্ঘ প্রস্তুতি, আত্মীয়-পরিজনের সমাগম এবং একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। বড় আয়োজনের পুজোয় যে বিপুল রান্নাবান্না হত, তার মধ্যে ছিল ভাত, ডাল, শাকসবজি, ভাজা, নানা নিরামিষ পদ এবং মিষ্টান্ন। সময়ের সঙ্গে রান্নার ধরন বদলেছে, উপকরণের ব্যবহার বদলেছে, কিন্তু দেবীর ভোগ ও পরিবারের মিলন এখনও পুজোর আবেগের অন্যতম অংশ। শোভাবাজারের পুজোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এর উত্তরাধিকার। রাজা নবকৃষ্ণ দেবের পরিবারের পুজো পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়েছে। ফলে শোভাবাজারের পুজো বলতে শুধু একটি বাড়িকে বোঝানো হয় না; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে রাজপরিবারের বিভিন্ন শাখার দীর্ঘ ইতিহাস। সময়ের সঙ্গে বাড়ির মালিকানা ও পারিবারিক বিন্যাসে পরিবর্তন এলেও পুজোর স্মৃতি থেকে গেছে।

একসময় রাজবাড়ির পুজো ছিল অভিজাতদের অন্যতম সামাজিক আসর। কিন্তু কলকাতা যত বড় হয়েছে, ততই দুর্গাপুজোর চরিত্র বদলেছে। বনেদি বাড়ির গণ্ডি পেরিয়ে পুজো পৌঁছে গেছে পাড়ায়, রাস্তায়, ক্লাবে, সর্বজনীন মণ্ডপে। আজ কলকাতার দুর্গাপুজো পৃথিবীর অন্যতম পরিচিত সাংস্কৃতিক উৎসব। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দফতরও কলকাতার দুর্গাপুজোর আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে এবং ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেওয়ার কথা জানায়। এই দীর্ঘ যাত্রার শুরুতে বনেদি বাড়ির পুজোগুলির ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না। শোভাবাজার রাজবাড়ির মতো পরিবারগুলির আয়োজন দুর্গাপুজোকে শুধু পারিবারিক ধর্মাচার হিসেবে আটকে রাখেনি; তাকে কলকাতার সামাজিক জীবনের একটি বড় অংশে পরিণত করার প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রেখেছে। যদিও আজকের সর্বজনীন পুজোর সঙ্গে আঠারো শতকের রাজবাড়ির পুজোর কাঠামোগত পার্থক্য অনেক, তবুও উৎসবকে কেন্দ্র করে মানুষের একত্রিত হওয়ার যে সংস্কৃতি, তার একটি দীর্ঘ ইতিহাস এই বাড়িগুলির মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়।

শোভাবাজার রাজবাড়ির সঙ্গে কলকাতার সাংস্কৃতিক ইতিহাসের আরও একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় জড়িয়ে রয়েছে। ১৮৯৭ সালে স্বামী বিবেকানন্দ বিদেশ থেকে ফিরে এলে এই রাজবাড়িতে তাঁর নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল বলে সরকারি পর্যটন-তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ রাজবাড়ির গুরুত্ব শুধু দুর্গাপুজোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; উনিশ শতকের কলকাতার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনেও এই বাড়ির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ছিল। আজ রাজবাড়ির সামনে দাঁড়ালে সেই অতীতের সমস্ত দৃশ্য চোখের সামনে দেখা যায় না। সময় অনেক কিছু বদলে দিয়েছে। প্রাসাদের অনেক অংশ আগের মতো নেই, কিছু অংশ জীর্ণ হয়েছে, আবার কিছু অংশ এখনও অতীতের স্থাপত্যের স্মৃতি ধরে রেখেছে। সরকারি পর্যটন তথ্যেও রাজবাড়ির পুরনো নাচঘরের অংশের অবক্ষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু যে নাটমন্দপ একসময় রাজকীয় উৎসবের কেন্দ্র ছিল, তার উপস্থিতিই এখনও দর্শনার্থীকে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।

আর দুর্গাপুজোর সময় এই বাড়ির আবহ একেবারেই অন্যরকম। ঢাকের শব্দ, ধূপের গন্ধ, শঙ্খধ্বনি আর পুরনো স্থাপত্যের ছায়া মিলিয়ে তৈরি হয় এমন একটি পরিবেশ, যা আধুনিক কলকাতার ব্যস্ততার মধ্যে দাঁড়িয়ে অতীতকে অনুভব করার সুযোগ দেয়। এখানে পুজো দেখতে আসা মানে শুধু দেবী দর্শন নয়; একটি শহরের সামাজিক ইতিহাসের ভিতর দিয়ে হাঁটা। সন্ধ্যার আলোয় যখন পুরনো খিলানগুলির উপর ছায়া পড়ে, তখন কল্পনা করা যায় আড়াইশো বছরেরও বেশি আগে এই একই প্রাঙ্গণে কত মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। তাঁদের পোশাক আলাদা, ভাষার ব্যবহার আলাদা, সামাজিক সম্পর্কের ধরন আলাদা। কিন্তু শরতের আকাশ, দেবীর সামনে প্রার্থনা এবং উৎসবকে ঘিরে আনন্দ—এই অনুভূতিগুলির অনেকটাই হয়তো একই ছিল। শোভাবাজারের পুজোর সবচেয়ে বড় শিক্ষা এখানেই। সময় বদলায়, রাজতন্ত্র ও জমিদারি ব্যবস্থা হারিয়ে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়, উৎসবের ধরন বদলায়। কিন্তু কিছু ঐতিহ্য সময়কে অতিক্রম করে বেঁচে থাকে। কখনও তা আচার হিসেবে, কখনও স্থাপত্য হিসেবে, কখনও পারিবারিক স্মৃতি হিসেবে, আবার কখনও একটি শহরের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ হয়ে।তাই শোভাবাজার রাজবাড়ির পুজো দেখতে গেলে শুধু ‘বনেদি বাড়ির পুজো’ বলে দেখে ফিরে আসা নয়। একটু সময় নিয়ে রাজবাড়ির স্থাপত্য দেখুন, নাটমন্দপের দিকে তাকান, পুরনো দেওয়ালের দিকে চোখ রাখুন। ভাবুন, যে কলকাতাকে আমরা আজ চিনি, সেই কলকাতার সামাজিক ইতিহাসের কতগুলি অধ্যায় এই বাড়ির উঠোন পেরিয়ে গেছে। যাতায়াতের দিক থেকেও শোভাবাজার রাজবাড়ি কলকাতার অন্যতম সহজে পৌঁছনো ঐতিহ্যস্থল। সরকারি পর্যটন দফতরের তথ্য অনুযায়ী, নিকটতম মেট্রো স্টেশন শোভাবাজার সুতানুটি। কলকাতা মেট্রোর উত্তর-দক্ষিণ লাইনের এই স্টেশন থেকে রাজা নবকৃষ্ণ স্ট্রিটের রাজবাড়ির দিকে স্থানীয় যানবাহন বা হেঁটে যাওয়া যায়। সরকারি পর্যটন তথ্য অনুযায়ী রাজবাড়ির ঠিকানা ৩৩আর/১এ, রাজা নবকৃষ্ণ স্ট্রিট।

ট্রেনে এলে শিয়ালদহ বা হাওড়া—দুই দিক থেকেই কলকাতার গণপরিবহণ ব্যবহার করে শোভাবাজারে পৌঁছনো যায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দফতরও শিয়ালদহ ও হাওড়াকে নিকটবর্তী প্রধান রেলস্টেশন হিসেবে উল্লেখ করেছে। সেখান থেকে মেট্রো বা সড়কপথে শোভাবাজার রাজবাড়িতে যাওয়া যায়। সড়কপথে উত্তর কলকাতার দিকে এসে শোভাবাজার অঞ্চলে পৌঁছতে হবে। পুজোর দিনগুলিতে উত্তর কলকাতার রাস্তায় ভিড় এবং যান নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে, তাই ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে মেট্রো ব্যবহার অনেক সময় সুবিধাজনক হতে পারে। তবে পুজোর দিন যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণের বর্তমান সময়সূচি ও রাস্তার পরিস্থিতি দেখে নেওয়া ভালো। শোভাবাজার রাজবাড়ির গল্প আসলে একজন রাজা বা একটি পরিবারের গল্প নয়। এটি কলকাতার বদলে যাওয়ার গল্প। যে সময়ে দুর্গাপুজো ছিল রাজবাড়ির ঐশ্বর্যের প্রকাশ, সেই পুজোই ধীরে ধীরে শহরের অলিগলি পেরিয়ে হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের উৎসব। রাজদরবারের সীমিত পরিসর থেকে আজকের অগণিত মানুষের মিলনমেলা—এই দীর্ঘ পথচলার ইতিহাসে শোভাবাজার রাজবাড়ি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

আজও শরৎ এলে পুরনো রাজবাড়ির ঠাকুরদালানে দেবী আসেন। ধূপের ধোঁয়া ওঠে, ঢাক বাজে, মানুষ প্রণাম করে। সময়ের স্রোত রাজা নবকৃষ্ণ দেবের যুগকে অনেক দূরে সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তাঁর শুরু করা সেই পুজো এখনও কলকাতার শরৎকে নিজের পুরনো সুরে ডেকে যায়। একসময় রাজকীয় পুজো ছিল অভিজাত পরিবারের পরিচয়। আজ সেই পুজো কলকাতার ঐতিহ্যের পরিচয়। আর শোভাবাজার রাজবাড়ির ঠাকুরদালান তাই যেন নীরবে বলে—কলকাতার দুর্গাপুজোর গল্প শুধু উৎসবের গল্প নয়, এটি একটি শহরের বড় হয়ে ওঠার গল্প।


তথ্যসূত্র:

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দফতরের শোভাবাজার রাজবাড়ি ও কলকাতার ঐতিহ্য সংক্রান্ত সরকারি তথ্য।

ভারত সরকারের পর্যটন দফতরের প্রকাশিত শোভাবাজার রাজবাড়ি সংক্রান্ত ঐতিহাসিক তথ্য।

কলকাতা মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত রুট ও স্টেশন সংক্রান্ত তথ্য।

শোভাবাজার রাজপরিবারের পুজো ও কলকাতার সামাজিক ইতিহাস নিয়ে প্রকাশিত ঐতিহাসিক গবেষণা ও নথি।

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য ও দুর্গাপুজোর ইতিহাস সংক্রান্ত প্রামাণ্য গবেষণা।

Archive

Most Popular