বাড়িঘর
নিজস্ব প্রতিনিধি
২০২৪ এর শারদোৎসবে, ১০৪ এর টালা বারোয়ারির শ্রদ্ধার্ঘ্য তাদের প্রিয় ১০৪ এর মানিক-কে। তাঁর রচিত এবং পরিচালিত অমর চলচিত্র হীরক রাজার দেশে র অনুকরণে, যা কালজয়ী এবং আজও এই সমাজে প্রতিটা মুহূর্তে সমান ভাবেই প্রাসঙ্গিক। রাষ্ট্রের মগজ-ধোলাই যন্ত্রে নিয়মিত পিষতে থাকা সাধারণ মানুষ, যে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজের সমস্ত দূষণকে সংগঠিত হয়ে এক লহমায় মুছে দিতে পারে, এই চলচিত্র ছিল তারই অমর উপাখ্যান। গল্পের দুই যুযুধান প্রধান চরিত্র হীরক রাজা আর উদয়ন পণ্ডিতের চিরন্তন সত্ত্বার লড়াই আজও সমাজে সমান ভাবেই বিদ্যমান। সেই অর্থে বাংলা চলচিত্র তথা বাংলা সাহিত্যে এই রচনা সত্যিই হীরার মতই মহামূল্যবান, যা কাল, যুগ, পরম্পরা, ঐতিহ্য, সময়ের সাথে সাথে চির উজ্জ্বল। আর এর রচয়িতা যিনি, তিনিই আমাদের প্রিয় মানিক। তাই এই অস্থির সময়ে দাঁড়িয়ে আগামীর উদ্দেশে এবারের উত্তরের উত্তর হীরা-মানিক জ্বলে..
সত্যজিৎ রায়, বাংলা তথা বাঙালীর আবেগ হলেও একসময়ে ছিলেন এই এলাকার ঘরের ছেলে। অপু ট্রিলজির শেষ ছবি অপুর সংসার পুজো মণ্ডপের পাশের বাড়িতেই শুটিং হয়েছিল। আবার প্রবাদ প্রতিম নাট্য ও চলচিত্র অভিনেতা কানু বন্দ্যোপাধ্যায় এই পাড়ার বাসিন্দা তথা এই পুজোর মুখ ছিলেন একসময়। তিনিই ছিলেন সত্যজিতের অপু ট্রিলজির প্রথম দুটি ছবির হরিহর। শোনা যায় সত্তরের দশকে কানু-বাবুর কাছে তামিল নিতে এই পাড়াতে তার আদরের মানিকের সাথে বহু প্রবাদপ্রতিম চলচিত্র শিল্পীদের আড্ডা জমত নিয়মিত। আবার কাকতালীয় ভাবেই সত্যজিৎ আর টালা বারোয়ারির জন্মও একই বছরে।
রম্য রচনা- সত্যজিৎ রায়
অতুলপ্রসাদের গান- লোপামুদ্রা মিত্র
দেবীরূপদান- দেবায়ন প্রামাণিক
আলো- দীপঙ্কর দে
নাট্যরূপ- যাদবপুর মন্থন
আবহ- সমীরণ জানা
প্রচ্ছদ- দীপকুমার দেব
সমগ্র পরিকল্পনা ও রুপায়নে- সোমনাথ তামলী