19th Feb 2026

Highlights :

www.rojkarananya.com news

মেয়েদের ফিটনেস ফান্ডা

স্বাস্থ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি



আজকের দিনে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা বদলে গিয়েছে। আজকের দিনে সৌন্দর্যের মাপকাঠি হল মেদবিহীন সুগঠিত শরীর কাঠামো, সুব্যক্তিত্ব, রুচিশীল পোশাক, মনোভাব ও আচার-আচরণ। তবে শুধু মেদহীন শরীরই নয়, সঙ্গে চাই সুস্থ শরীর। গৃহবধূদের বাড়তি ওজন ও পেটের মেদ কমানোর টিপস দিলেন আটলান্টা হেলথ ওয়েলফেয়ার সেন্টারের বিশেষজ্ঞ ডঃ অনুভা পালচৌধুরী।

কিছু মহিলার শারীরিক গঠন পরিচর্যা ছাড়াই সুন্দর এবং সেইদিক থেকে তারা সত্যিই ভাগ্যবতী। তবে সেই সংখ্যাটা নেহাতই কম। বয়স বাড়ার সাথে সাথেই বাড়তে থাকে মেদ। তাই সময় থাকতেই সচেতন হতে হবে। অফিস বা সংসারের কাজের
চাপে হাজার টেনশন, স্ট্রেস লেগেই থাকে। তার উপর সময় করে রোজ পরিমিত খাবার বা জল খাওয়া প্রায় হয়েই ওঠে না। স্ট্রেস কমাতে এক্সারসাইজের কোনও বিকল্প নেই। তাই রোজকার রুটিনে সামিল করে নিন ফিজিক্যাল এক্সারসাইজকে। এক্সারসাইজকে বলা হয় স্ট্রেস বাস্টার। কারণ এক্সারসাইজ করলে শরীর থেকে এনডরফিন বা হ্যাপি হরমোন নিঃসৃত হয় যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। মেজাজ ফুরফুরে থাকে, ঘুম ভালো হয়। ফিজিক্যালি ফিট থাকা যায়।

গৃহবধূরা কীভাবে কমাবেন বাড়তি ওজন? সুস্থ লাইফস্টাইল, পর্যাপ্ত ঘুম, ডায়েট আর অবশ্যই এক্সারসাইজ। ফিটনেসের মন্ত্র এটাই।

ক্যালরি ইনপুট ভার্সেস ক্যালরি আউটপুট:

কতটা ক্যালরি আপনার শরীরে যাচ্ছে আর কতটা শরীর ক্ষয় করছে, সেই বিয়োগফল দিয়েই মাগা হয় আপনার ওজন হ্রাসকে। যতটা ক্যালরি আসছে সেই মাত্রাটা যদি যতটা ক্ষয় হচ্ছে তার থেকে বেড়ে যায়, তাহলে বাড়তি ক্যালরি ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমতে থাকে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিকার ক্ষেত্রে ক্যালরি গ্রহণ সারাদিনে ১৫০০ ক্যালরির বেশি হওয়া উচিৎ নয়।

এক্সারসাইজ:
সারাদিনে ২০-৩০ মিনিট হাঁটা, রোজ না হলেও অন্তত সপ্তাহে তিন দিন, ধীরে ধীরে হাঁটার সময় বাড়ানো। এভাবেই শুরু করতে পারেন এক্সারসাইজ। সাঁতার কাটা, নাচ, যোগ ব্যায়াম যোগ করতে পারেন লিস্টে। জিমে যাবার প্রয়োজন নেই। বাড়িতেই সময় বের করে নিন।

পেটের মেদ নিয়ে চিন্তা সবচেয়ে বেশি। কীভাবে কমাবেন পেটের মেদ?

স্কোয়াট: কাঁধ চওড়া করে সোজাসুজি দাঁড়ান। নীচু হতে শুরু করুন কোমর সোজা রেখে, যাতে আপনার উরু মাটির সঙ্গে সমান্তরাল থাকে। এবারে পা সোজা করে উঠে দাঁড়ান ধীরে ধীরে। অন্তত দশবার করুন এটা।

অ্যাবডমিনাল ক্রাঞ্চেস মাথা ও কাঁধ সোজা করে মাটিতে রাখুন। তিনবার জোরে শ্বাস নিন। আবার প্রথম অবস্থায় ফিরে যান। তলপেটের পেশিতে টান অনুভব করতে পারবেন। কখনই হাত মাথার পেছনে রাখবেন না। অন্তত দশবার করুন।

অ্যাবডমিনাল রোলার: অ্যাবডমিনাল রোলার দুই হাত ও হাঁটু দিয়ে মেঝেতে ধরে রাখুন। সোজাসুজিভাবে রাখুন। এবারে আস্তে আস্তে সামনের দিকে সোজা এগিয়ে নিয়ে যান। আপনার।
শরীরকেও স্ট্রেচ করুন সোজাসুজি। যাঁরা জিমে যেতে পারবেন, তাঁরা কার্ডিও, রেসিস্টান্স আর ব্যালান্স এক্সারসাইজ করুন।

ঘুম, ডায়েট ও অন্যান্য:

* সারাদিনে পরিশ্রমের পর মেডিটেশন, গান শোনা, বই পড়া, হালকা এক্সারসাইজ করতে পারেন।

* রাতে অন্তত আট ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।

* ডায়েট প্ল্যান করে নিন। বাদ দিন সফট ড্রিঙ্কস, জাঙ্ক ফুড। বাড়তি নুন-চিনিও বন্ধ করুন। খিদে পেলেই খাবেন। পরিমাণ কম করে বারে বারে খান। রাত আটটার পর খাওয়া বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। জলখাবার, লাঞ্চ, ডিনার সময় মেনে করুন রোজ একই সময়ে। টাটকা সবজি, ফল রাখুন ডায়েটে। ফাইবার রাখুন পর্যাপ্ত। জ্যুস না খেয়ে গোটা ফল খেতে চেষ্টা করুন।

* দিনে অন্তত দু'লিটার জল খান।

Archive

Most Popular