19th Feb 2026

Highlights :

www.rojkarananya.com news

কিচেন caring!

প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি


আপনার বাড়ির সবচেয়ে প্রয়োজনীয় আর প্রিয় জায়গা এটি। কী করে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখবেন আপনার সাধের কিচেনকে?

যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা রাখা:

রান্নাঘরের জায়গা যদি ছোট হয় তাহলে সমান্তরাল বা সোজাভাবে ডিজাইন করুন। জায়গা বেশি থাকলে 'এল', 'ইউ' অথবা আইল্যান্ডের মতো করে ডিজাইন করা যায়। আলো ও বাতাস চলাচলের সুব্যবস্থা রাখুন। ড্রয়ার, কেবিনেট বা উঁচু সেলফ কোথায় কোনটা রাখবেন আগেই ঠিক করে নিন। প্রয়োজনে মার্কিং করে রাখতে পারেন। যে বাসন, বা মশলার পাত্র সব সময় কাজে লাগছে সেগুলো হাতের কাছে রাখুন। জায়গার স্বল্পতা থাকলে চিমনি এবং এক্সস্ট ফ্যান ব্যবহার করুন।

দেওয়ালের রঙ:

রান্না ঘরে হলুদ এবং উজ্জ্বল কমলা রঙ ব্যবহার করাই ভালো। কারণ এসব রঙ ভালোভাবে আলো প্রতিফলন করতে পারে। পর্যাপ্ত কাজের জায়গা রান্না, কাটা-বাছা ও ধোয়ার জন্য মধ্যবর্তী জায়গা সুপরিকল্পিতভাবে করা উচিত। না হলে এটি কাজ করার সময় অহেতুক ঝামেলা ও অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য ওভেন থেকে এগুলো কমপক্ষে তিন ফিট দূরে রাখা প্রয়োজন।

রঙ্গিন অর্গানাইজড বাস্কেট:

রান্নায় নানান ধরণের মশলাপাতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। গোটা মশলা, গুড়ো মশলা, ফোড়ন, পাতা থেকে শুরু করে আরও কত্ত কী! মশলার ছোট ছোট ডিবেগুলি আবার বড় ডিবের মাঝখানে এমন ভাবে লুকিয়ে থাকে যে সহজে তার হদিশ মেলে না। ডিবে খুঁজতে গিয়ে তখন তরকারি পোড়ার জোগাড়। তাই ডিবেগুলিকে হাতের নাগালের মধ্যে রাখার জন্য নানান রঙের অর্গানাইজড বাস্কেট কিনতে পারেন। এই বাস্কেটগুলি ছোট থেকে বড়, নানান সাইজের পাওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে দৈনন্দিন ব্যবহারের মশলার ডিবে এক ধরণের বাস্কেটে রাখুন। আবার যে মশলাগুলি মাঝেমধ্যে ব্যবহৃত হয়, সেগুলি অন্য একটি রঙের বাস্কেটে সাজিয়ে নিন। ছোট ছোট ডিবের জন্য একটি পৃথক বাস্কেটও রাখতে পারেন। রান্নাঘরে শেল্ফ কম থাকলে এই বাস্কেটগুলি অত্যন্ত উপযোগী প্রমাণিত হবে।

কিচেন হ্যাঙ্গার:

কিচেন হ্যাঙ্গারের চল বহুদিন ধরে শুরু হয়েছে। এগুলি স্থান সাশ্রয় করে, তেমনই হাত বাড়ালেই পেয়ে যেতে পারেন প্রয়োজনীয় বাসনপত্রও। বাজারে সস্তায় এবং বিভিন্ন আকার ও সাইজের হ্যাঙ্গার কিনতে পাওয়া যায়। এই হ্যাঙ্গারগুলিতে দুধের সসপ্যান, হ্যান্ডেল দেওয়া ফ্রাইপ্যান, ছোট কড়াই টাঙিয়ে রাখতে পারেন। সেই সঙ্গে রাখতে পারেন হাতা, খুন্তি, ছাকনির মতো নানান বাসনপত্রও। ড্রিল করে দেওয়ালের সঙ্গে আটকে দিতে পারেন অথবা জায়গা বুঝে পেস্টিংও করে দিতে পারেন এই হ্যাঙ্গারগুলি। রান্নাঘরে বাসন রাখার র‌্যাক না-থাকলে বা কোনও নির্দিষ্ট স্থান না-থাকলে এই হ্যাঙ্গারগুলি আপনার মুশকিল আসান করতে পারে।

সিঙ্ক অর্গানাইজার:
রান্নাঘর ছোট হলে স্বাভাবিক ভাবেই সিঙ্ক এরিয়াও ছোট হবে। তখন সাবান, ওয়াশার, স্ক্রাব রাখতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার এমনও হতে পারে, কল ঘেঁষে সাবান রাখার জন্য সাবানের কেসে সবসময় জল জমে থাকছে এবং সে কারণে সাবান গলছেও তাড়াতাড়ি। সেক্ষেত্রে এখানে রাখুন সিঙ্ক অর্গানাইজার। এতে একটি ছোট্ট ট্রে-র কিছুটা অংশজুড়ে একটি বাস্কেট থাকে। ওই বাস্কেটে আবার লাগানো থাকে ছোট একটি হ্যাঙ্গার। সিঙ্কের পাশে এটি রেখে দিতে পারেন। হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে দিন বাসন পরিষ্কার করার জন্য ছোট একটি কাপড়। বাস্কেটে রেখে দিন লিকুইড ডিশওয়াশ সোপ, বোতল পরিষ্কার করার ব্রাশ। ট্রে-র অবশিষ্ট অংশে রাখতে পারেন ডিশওয়াশ বার অথবা স্ক্রাব।

Archive

Most Popular